মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২২nd অক্টোবর ২০১৯

পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প

. প্রকল্পের পটভূমিঃ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র দূরদর্শী নেতৃত্বে অদম্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। অসংখ্য অসামান্য অর্জনের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আজ ”নিম্ন-আয়ের” দেশ থেকে “নিম্ন-মধ্য আয়ের” দেশে উত্তরণ করেছে। বর্তমান সরকারের দীর্ঘ ১০ বছরের পদযাত্রায় বিদ্যুৎ খাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সেই সাফল্যকে অব্যাহত রাখতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্ল্যান-২০১৬ অনুযায়ী ২০২০ সাল নাগাদ ১৭,০০০ মেগাওয়াট, ২০২৫ সাল নাগাদ ২৩,০০০ মেগাওয়াট, ২০৩০ সাল নাগাদ ৩০,০০০ মেগাওয়াট, ২০৩৫ সাল নাগাদ ৪০,০০০ মেগাওয়াট এবং ২০৪১ সাল নাগাদ  ৫৭,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিঃ-কে ২০৩০ সালের মধ্যে ৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করে দেয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য জ্বালানী বহুমুখীকরণ এবং প্রাথমিক বিকল্প জ্বালানী হিসাবে কয়লাকে প্রাধান্য দিয়ে এপিএসসিএল কর্তৃক পটুয়াখালীতে কয়লাভিত্তিক ১৩২০ (২×৬৬০) মেগাওয়াট সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের লক্ষ্যে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

. প্রকল্পের অবস্থানঃ

প্রকল্পের Site Selection, Feasibility Study, IEE, EIA ইত্যাদি কাজ সম্পন্ন করার জন্য Lahmeyer International India (pvt.) Ltd. & Development Design Consultant Ltd. কে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ৩টি স্থান পরিদর্শন করে পটুয়াখালী জেলার অর্ন্তগত কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ও চম্পাপুর ইউনিয়নের রাবনাবাদ চ্যানেল সংলগ্ন পশ্চিমপাড়ে (পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্মানাধীন কোল টার্মিনাল সংলগ্ন) দেবপুর, চালিতাবুনিয়া, পাঁচজুনিয়া ও ধানখালী মৌজায় প্রকল্প সাইট নির্বাচন করে।

. সম্ভাব্যতা যাচাই  পরিবেশ সমিক্ষাঃ

পরামর্শক প্রতিষ্ঠান Lahmeyer International India (pvt.) Ltd. & Development Design Consultant Ltd প্রকল্পের সাইট নির্বাচনের পরে Pre-Feasibility Study, Feasibility Study, IEE তৈরির কাজ সম্পন্ন করেছে। উক্ত Feasibility Study এবং IEE Report পরিবেশ অধিদপ্তরে দাখিল পূর্বক পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রাপ্তির জন্য আবেদন করা হয়। বরিশাল বিভাগীয় দপ্তর হতে প্রকল্প সাইট সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রধান কার্যালয় বরাবরে প্রতিবেদন দাখিল করে। এপিএসসিএল এর পক্ষ হতে পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কমিটিকে Powerpoint Presentation প্রদানের পর পরিবেশ অধিদপ্তর হতে অনুমোদিত TOR পাওয়া  গেছে। অনুমোদিত TOR মোতাবেক EIA রিপোর্ট তৈরির পর পরিবেশ অধিদপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে। গত ২৬/০৯/২০১৮ইং তারিখে পরিবেশ ছাড়পত্র বিষয়ক কমিটির ৪৩২ তম সভায় EIA Report পর্যালোচনা করার জন্য Powerpoint Presentation প্রদান করা হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর হতে ছাড়পত্র প্রাপ্তির বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

. প্রকল্পের ডিপিপি প্রনয়ণ এবং অনুমোদনঃ

সম্পূর্ণ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য কমবেশি ১০০০ একর জমির প্রয়োজন হবে। জমি অধিগ্রহণের কাজটি অত্যন্ত জটিল এবং সময় সাপেক্ষ হওয়ার কারণে প্রকল্পটি দুটি ভাগে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রথমভাগে প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণ সহ ভূমি উন্নয়ন ও সংরক্ষণ কাজ করা হবে এবং এর পরে মূল কয়লা ভিত্তিক ১৩২০ (২×৬৬০) মেগাওয়াট বিদ্যূৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ, উন্নয়ন ও সংরক্ষণ কাজের ডিপিপি কয়েক দফা পুনর্গঠন শেষে পিইসি সভায় চুড়ান্ত করে গত ২৭/০২/২০১৮ইং তারিখে ৮১৯.৫১৪৬ কোটি টাকা ডিপিপি একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে।  প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ, উন্নয়ন ও সংরক্ষণ কাজের মেয়াদ জানুয়ারি-২০১৮ হতে ডিসেম্বর-২০১৯ পর্যন্ত। মূল প্রকল্পের কাজ শেষে ডিসেম্বর-২০২৪ নাগাদ বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

. ভূমি অধিগ্রহণউন্নয়ন  সংরক্ষণ প্রকল্পের মূল কার্যক্রমঃ

৫.১। পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ও চম্পাপুর ইউনিয়নে ১৩২০ মেঃওঃ সুপার থার্মাল পাওয়ার প্লান্টের জন্য ৯৩০.৬১৫ একর ভূমি অধিগ্রহণ।

৫.২। অধিগ্রহণকৃত ভূমির উন্নয়ন ১,১১,৪০,৯৮৬ ঘন মিটার (৫ মিটার উচ্চতা হিসেবে ৫৫০.৫৮ একর)।

৫.৩। ভূমি সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণ ১১ কি. মি.।

৫.৪। ভূমি সংরক্ষণ ঢাল নির্মাণ সি সি ব্লক ৩ কি. মি.।

৫.৫। ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কমবেশি ১২০ টি পরিবারের পুনর্বাসন কাজ।

. ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত কার্যক্রমঃ

৬.১।         এপিএসসিএল কর্তৃক “পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট সুপার থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট প্রকল্প” বাস্তবায়নের জন্য দেবপুর, চালিতাবুনিয়া, পাঁচজুনিয়া এবং ধানখালী মৌজায় সর্বমোট ৯৩০.৬১৫ একর ভূমি অধিগ্রহনের জন্য পৃথক পৃথক ভাবে ৫টি অধিগ্রহণ প্রস্তাব জেলা প্রশাসক, পটুয়াখালী বরাবরে প্রেরণ করা হয়। এর মধ্যে দেবপুর মৌজায় ২৮৯.৩১ একর (এলএ কেস নং ২০/২০১৬-১৭), পাঁচজুনিয়া মৌজায়  ২০১.৭৪ একর (এলএ কেস নং ০২/২০১৭-১৮) এবং চালিতাবুনিয়া মৌজায়  ২৪.৫৫৫ একর (এলএ কেস নং ০৩/২০১৭-১৮) মোট ৫১৫.৬০৫ একর ভূমি অধিগ্রহণের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া গেছে। উক্ত ৩টি প্রস্তাবের ভূমি অধিগ্রহণ মূল্য নির্ধারনের জন্য প্রাক্কলন তৈরির কাজের অংশ হিসেবে যৌথ তদন্ত কাজ শুরু হয়েছে এবং ৬ ধারা নোটিশ গত ২৬/০২/২০১৮ ইং তারিখ জারী করা হয়েছে যা জমির মালিকদের প্রদান করা হয়েছে।

৬.২।        ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারবর্গের পূনর্বাসনের জন্য ধানখালী মৌজায় ১৫.৩৭ একর (এলএ কেস নং ১৪/২০১৭-১৮) ও প্রকল্পের জন্য ধানখালী মৌজায় আরও ৩৯৯.৬৪ একর (এলএ কেস নং ১৩/২০১৭-১৮)  ভূমি অধিগ্রহণ প্রস্তাব পটুয়াখালী জেলা স্থানীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। “ ভূমি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল আইন ২০১৭” অনুযায়ী পুনর্বাসনের জন্য ১৫.৩৭ একর ভূমি অধিগ্রহনের নিমিত্ত ৪ ধারা নোটিশ গত ২০/০৩/২০১৮ ইং তারিখ জারী করার পর পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ভূমি মালিকদের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য অধিগ্রহণ প্রস্তাবটি জেলা প্রশাসক, পটুয়াখালী অফিস হতে ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। পুনর্বাসনের জন্য ১৫.৩৭ একর ভূমির যৌথ তদন্তের কাজও সমাপ্ত হয়েছে। অবশিষ্ট ৩৯৯.৬৪ একর ভূমি অধিগ্রহণের ৪ ধারা নোটিশ গত ১৯/০৪/২০১৮ ইং তারিখে জারি করার পর পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ভূমি মালিকদের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রস্তাবটি জেলা প্রশাসক, পটুয়াখালী অফিস হতে গত ১৯/০৬/২০১৮ইং তারিখে ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। ধানখালী মৌজার পুনর্বাসনের ১৫.৩৭ একর ভূমি সহ প্রায় ৪১৫ একর ভূমির যৌথ তদন্ত কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

৬.৩।প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসক, পটুয়াখালী অফিসে দাখিলকৃত ৫টি ভূমি অধিগ্রহণ প্রস্তাবের মধ্যে দেবপুর, পাঁচজুনিয়া ও চালিতাবুনিয়া মৌজায় ৩টি প্রস্তাব (মোট ভূমি ৫১৫.৬০৫ একর) “স্থাবর সম্পতি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল অধ্যাদেশ ১৯৮২” অনুযায়ী এবং ধানখালী মৌজায় দুইটি প্রস্তাব (৪১৫.০১ একর) “স্থাবর সম্পতি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল আইন, ২০১৭” অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য “স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল অধ্যাদেশ ১৯৮২” অনুযায়ী ভূমি মূল্যের ১৫০% ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিধান এবং “স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল আইন ২০১৭” অনুযায়ী ভূমি মূল্যের ৩০০% ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে। একই প্রকল্পের আওতাধীন পাশাপাশি মৌজায় ক্ষতিপূরণ ভিন্ন হলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারবর্গ সংক্ষুব্ধ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। বিষয়টি নিরসনে গত ২৬/০৪/২০১৮ইং তারিখে মাননীয় বিদ্যুৎ সচিব মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্ত:মন্ত্রণালয় সভায় প্রত্যাশী সংস্থা, বিদ্যুৎ বিভাগ, অর্থ বিভাগ, ভূমি মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধির সমন্বয়ে ০৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি সমস্যা সমাধানে একটি সুপারিশমালা প্রণয়ন করেছে।

.০ পুনর্বাসন পরিকল্পনাঃ

ভূমি অধিগ্রহণের ফলে প্রায় ১২০ টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হবে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারবর্গের পুনর্বাসনের জন্য ধানখালী মৌজায় ১৫.৩৭ একর (এলএ কেস নং ১৪/২০১৭-১৮) ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারবর্গের সদস্যদের পুনর্বাসন প্রোগ্রামে বাসস্থান, স্কুল, মসজিদ, দোকান, রাস্তা, স্বাস্থ্য-সেবা ও বিনোদন ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ধরণের কারিগরী ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারবর্গের টেকসই পুনর্বাসন এবং সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ সহ উপরোক্ত কাজগুলি পুনর্বাসন এ্যাকশন প্ল্যান (RAP) এর আওতায় সম্পন্ন করা হবে। এ লক্ষ্যে এনজিও নিয়োগসহ অন্যান্য আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম চলমান আছে।

. Joint Venture Company গঠনঃ

১৩২০ (২×৬৬০) মেগাওয়াট আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন ও কমিশনিং এর লক্ষ্যে প্রায় ২.৫ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন প্রয়োজন হবে। প্রকল্পটি Joint Venture এর মাধ্যমে বাস্তবায়নের নিমিত্ত Ashuganj Power Station Company Ltd. এবং China Energy Engineering Corporation Ltd. এর মধ্যে MoU গত ১৩/০৭/২০১৭ ইং তারিখে স্বাক্ষরিত হয়েছে।  Joint Venture Company (JVC) গঠনের জন্য একটি খসড়া Joint Venture Agreement প্রস্তুতপূর্বক আন্তঃমন্ত্রণালয় Vetting এর জন্য বিদ্যুৎ বিভাগে প্রেরণ করা হয়েছে।  গত ১২/০৬/২০১৮ইং তারিখে মাননীয় সিনিয়র সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয়/বিভাগ/দপ্তর/সংস্থা/অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে খসড়া Joint Venture Agreement চূড়ান্ত করা হয়েছে। সর্বশেষ খসড়া Joint Venture Agreement টির উপর আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভেটিং পাওয়া ‍গিয়েছে।

. প্রকল্পের বিশেষ বৈশিষ্ট্যঃ

৯.১।       আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল টেকনোলজী ব্যবহার করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি তৈরি করা হবে। অত্যাধুনিক এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে উচ্চ দক্ষতা প্রাপ্তির কারনে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কম জ্বালানি তথা কয়লার প্রয়োজন হবে।

৯.২।       প্রকল্পে থাকছে ২৭৫ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট চিমনি, যা আশেপাশের পরিবেশ ছাড়িয়ে অনেক উপরে ধোঁয়া বা বায়বীয় পদার্থ নিঃসরণ করবে।

৯.৩।       বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপন্ন শতকরা ৯৯ ভাগ ফ্লাই অ্যাশ সংগ্রহ করবে ESP Hopper Fly Ash Collector এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশের এলাকা ছাইমুক্ত থাকবে।

৯.৪।       সালফার ডাই অক্সাইড (SOx) নিয়ন্ত্রণে FGD (Flue Gas Desulphurization) Exhaust Flue Gas থেকে শতকরা ৯৬ ভাগ SO2 দুর করবে।

৯.৫।       Low NOx Tangential Firing এবং Low NOx Burner প্রযুক্তিতে নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ পরিবেশ এর জন্য ক্ষতিকর মাত্রার অনেক নিচে থাকবে।

৯.৬।       পানির ব্যবহার শতকরা ৯০ ভাগ কমিয়ে আনতে ব্যবহার করা হচ্ছে Closed Cycle Cooling Water প্রযুক্তি অর্থাৎ কুলিং টাওয়ার স্থাপন করা হবে।

৯.৭।        প্রকল্প এলাকার প্রায় ১০০ একর জমিতে পরিকল্পিত ভাবে সবুজ বনায়ন গড়ে তোলা হবে।

৯.৮।       Flue gas temperature, NOx, Sox, CO2 ইত্যাদি পর্যবেক্ষনের জন্য Real Time Continuous Emission Monitoring System (CEMS) থাকবে।


Share with :

Facebook Facebook